বাংলাদেশ ব্যাংক সুদমুক্ত ই-পেমেন্ট ক্রেডিট: ৫০–১০,০০০ টাকা ডিজিটাল ঋণ গাইড
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সুদমুক্ত ই-পেমেন্ট ক্রেডিট সুবিধায় ৫০ থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ডিজিটাল ঋণ নিন। বিল, রিচার্জ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খরচে ব্যবহারযোগ্য, ৭/১৫/৩০ দিনের টার্মে সেবামূল্যসহ সহজ ক্যালকুলেটর ও বিস্তারিত গাইড।
বাংলাদেশ সঞ্চয়
www.bangladeshsavings.com
জেনারেট করা হয়েছে
8 September 2026
বাংলাদেশ ই-পেমেন্ট ক্রেডিট ক্যালকুলেটর রিপোর্ট
ব্যক্তিগত আর্থিক হিসাব রিপোর্ট
ক্রেডিট তথ্য প্রদান করুন
ক্রেডিটের পরিমাণ ও সময়সীমা নির্বাচন করুন
নির্ধারিত মেয়াদের আগে পরিশোধ করলে অতিরিক্ত কোনো চার্জ নেই
ক্রেডিটের পরিমাণ
৳৫,০০০.০০
মেয়াদ
30 দিন
প্রসেসিং ফি
৳৭০.০০
মোট পরিশোধযোগ্য
৳৫,০৭০.০০
৳৫,০৭০.০০
মূল ক্রেডিট
৳৫,০০০.০০
নির্ধারিত ফি
৳৭০.০০
প্রিপেমেন্ট ফি
৳০
৩০ দিনের মেয়াদ — ৩১তম দিনে সম্পূর্ণ পরিশোধযোগ্য
নির্ধারিত তারিখ: ৮ অক্টোবর, ২০২৬
৭, ১৫ ও ৩০ দিনের মেয়াদের তুলনা
৳5,000| মেয়াদ | ফি | মোট পরিশোধ | পরিশোধের সময়সূচী |
|---|---|---|---|
| 7 দিন | ৳20 | ৳5,020 | ৭ দিনের মেয়াদ — ৮ম দিনে সম্পূর্ণ পরিশোধযোগ্য |
| 15 দিন | ৳40 | ৳5,040 | ১৫ দিনের মেয়াদ — ১৬তম দিনে সম্পূর্ণ পরিশোধযোগ্য |
| 30 দিননির্বাচিত | ৳70 | ৳5,070 | ৩০ দিনের মেয়াদ — ৩১তম দিনে সম্পূর্ণ পরিশোধযোগ্য |
💡ক্যালকুলেটর ব্যবহারের নিয়ম
ক্রেডিটের পরিমাণ লিখুন
৳৫০ থেকে ৳১০,০০০ পর্যন্ত ক্রেডিটের পরিমাণ টাইপ করুন বা স্লাইড করুন।
পরিশোধের মেয়াদ নির্বাচন করুন
৭ দিন, ১৫ দিন অথবা ৩০ দিনের মধ্যে পছন্দসই মেয়াদ সিলেক্ট করুন।
সেবামূল্য ও পরিশোধের চূড়ান্ত তারিখ দেখুন
বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত ফি, সুদমুক্ত তথ্য ও পরিশোধের শেষ তারিখ তাৎক্ষণিক দেখুন।
ই-পেমেন্ট ক্রেডিট কী?
বাংলাদেশ ব্যাংক ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জারি করা BRPD Circular No. 17-এর মাধ্যমে দেশের রিটেইল গ্রাহকদের জন্য ক্ষুদ্র ডিজিটাল “ই-পেমেন্ট ক্রেডিট” সুবিধাসংক্রান্ত সার্কুলার প্রকাশ করেছে। এই সুদমুক্ত ডিজিটাল ঋণের আওতায় গ্রাহকরা তাৎক্ষণিকভাবে ৳৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৳১০,০০০ পর্যন্ত জরুরি কেনাকাটা ও বিল পরিশোধ করতে পারবেন। এটি প্রচলিত ব্যাংক ঋণের মতো চড়া সুদের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং মেয়াদের ওপর নির্ধারিত ফিক্সড সেবামূল্য বা ফি দিয়ে পরিচালিত।
কে কে নিতে পারবে?
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী ডিজিটাল লেনদেনে অংশগ্রহণকারী সাধারণ নাগরিক ও ওয়ালেট গ্রাহকরা সহজে এই ঋণ নিতে পারবেন। মূল যোগ্যতার শর্তসমূহ নিচে দেওয়া হলো:
যাচাইকৃত কেওয়াইসি (KYC)
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) দিয়ে ভেরিফাইড ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অথবা বিকাশ, নগদ, রকেটের মতো এমএফএস ওয়ালেট থাকতে হবে।
ডিজিটাল লেনদেনের ইতিহাস
নিয়মিত বিল পরিশোধ, মোবাইল রিচার্জ এবং ওয়ালেট ব্যবহারের রেকর্ড দেখে স্বয়ংক্রিয় ক্রেডিট মূল্যায়ন করা হয়।
নিয়মিত পরিশোধের রেকর্ড
পূর্ববর্তী ডিজিটাল ঋণ বা মোবাইল ব্যাংকিং ক্রেডিটে কোনো খেলাপি বা বকেয়া না থাকা বাঞ্ছনীয়।
ব্যাংক পাইলট কার্যক্রম
বাণিজ্যিক ব্যাংক বা এমএফএস প্রতিষ্ঠানসমূহ কমপক্ষে ৬ মাসের পাইলট অপারেশনের মাধ্যমে গ্রাহকদের এই সুবিধা প্রদান করছে।
কোন কোন খরচে ব্যবহার করা যাবে?
ই-পেমেন্ট ক্রেডিট সুবিধাটি সরাসরি অ-নগদ বা ক্যাশলেস পেমেন্টের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি দিয়ে ইউটিলিটি বিল, রিচার্জ, চিকিৎসা, শিক্ষা ও নিয়মিত সরকারি ও বেসরকারি সেবামাছুল দেওয়া যাবে:
✅অনুমোদিত কেনাকাটা ও বিল সেকশন
- 💡ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি)
- 📱মোবাইল রিচার্জ
- 🎓শিক্ষা খরচ ও ফি
- 🏥চিকিৎসা ও হাসপাতাল খরচ
- 🚗টোল পেমেন্ট
- 🎟️টিকিট বুকিং (বাস, ট্রেন, বিমান)
- 🏛️সরকারি ট্যাক্স ও ভ্যাট
- 📋সরকারি সার্ভিস ফি
- 💰ডিপোজিট কিস্তি / সঞ্চয়
- 🛡️ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম
🚫সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ব্যবহারসমূহ
- ❌নগদ টাকা উত্তোলন (Cash Out):
এজেন্ট পয়েন্ট, ব্যাংক বুথ বা এটিএম থেকে ক্যাশ টাকা বের করা যাবে না।
- ❌ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার:
ব্যক্তিগত সেভিংস বা কারেন্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার নিষিদ্ধ।
- ❌এমএফএস ওয়ালেটে ফান্ড ট্রান্সফার:
সরাসরি বিকাশ বা নগদ ওয়ালেটে মূল ব্যালেন্স হিসেবে জমা দেওয়া যাবে না।
সেবামূল্য/ফি কেমন? (৭/১৫/৩০ দিনের টার্ম অনুযায়ী)
বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার ১৭ অনুযায়ী ক্রেডিটের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে সেবামূল্য নির্ধারিত হয়। সুদের কোনো হার নেই; কেবল নিচে বর্ণিত ফিক্সড সেবামূল্য প্রযোজ্য:
| ক্রেডিট রেঞ্জ (টাকা) | ৭ দিনের ফি | ১৫ দিনের ফি | ৩০ দিনের ফি |
|---|---|---|---|
| ৳50 – ৳250 | ৳3 | ৳4 | ৳6 |
| ৳251 – ৳500 | ৳5 | ৳8 | ৳12 |
| ৳501 – ৳1,000 | ৳7 | ৳12 | ৳20 |
| ৳1,001 – ৳2,000 | ৳10 | ৳20 | ৳30 |
| ৳2,001 – ৳3,000 | ৳15 | ৳30 | ৳50 |
| ৳3,001 – ৳5,000 | ৳20 | ৳40 | ৳70 |
| ৳5,001 – ৳7,000 | ৳25 | ৳50 | ৳80 |
| ৳7,001 – ৳10,000 | ৳35 | ৳70 | ৳100 |
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)
১. বাংলাদেশ ব্যাংক ই-পেমেন্ট ক্রেডিট (সুদমুক্ত ডিজিটাল ঋণ) কী?▼
বাংলাদেশ ব্যাংকের BRPD Circular No. 17 (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) অনুযায়ী গ্রাহকদের জন্য সর্বনিম্ন ৳৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৳১০,০০০ পর্যন্ত স্বল্পমেয়াদি ডিজিটাল ক্যাশলেস ক্রেডিট সুবিধা। এটি সম্পূর্ণ সুদমুক্ত এবং নির্ধারিত ফিক্সড সেবামূল্যের (ফি) ভিত্তিতে পরিচালিত।
২. কে কে ই-পেমেন্ট ক্রেডিট বা ডিজিটাল ঋণ নিতে পারবে?▼
বাংলাদেশে ব্যাংকিং বা এমএফএস (bKash, Nagad, Rocket ইত্যাদি) সেবা ব্যবহারকারী গ্রাহক যাদের জাতীয় পরিচয়পত্রসহ কেওয়াইসি (KYC) সম্পূর্ণ করা আছে এবং নিয়মিত ডিজিটাল লেনদেনের ইতিহাস রয়েছে, তারা ব্যাংক/এমএফএস-এর ক্রেডিট অ্যাসেসমেন্ট অনুযায়ী এই ঋণ পাওয়ার যোগ্য হবেন।
৩. কোন কোন খরচে ই-পেমেন্ট ক্রেডিট ব্যবহার করা যাবে?▼
ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি), মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা ফি, চিকিৎসা ও হাসপাতাল খরচ, টোল পেমেন্ট, টিকিট বুকিং (বাস, ট্রেন, বিমান), সরকারি ট্যাক্স/ভ্যাট/ফি এবং ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম পেমেন্টে সরাসরি ক্যাশলেস পেমেন্ট করা যাবে। নগদ টাকায় উত্তোলন বা ওয়ালেটে ক্যাশ-ইন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
৪. সেবামূল্য/ফি কেমন? (৭/১৫/৩০ দিনের টার্ম অনুযায়ী)▼
ক্রেডিটের পরিমাণ (৳৫০–৳১০,০০০) এবং মেয়াদের (৭ দিন, ১৫ দিন বা ৩০ দিন) ৮টি নির্ধারিত স্ল্যাব অনুযায়ী ফিক্সড সেবামূল্য প্রযোজ্য। যেমন: ৳৫,০০০ ঋণে ৭ দিনের জন্য ৳২০, ১৫ দিনের জন্য ৳৪০ এবং ৩০ দিনের জন্য ৳৭০। মেয়াদের পূর্বে পরিশোধ করলে প্রিপেমেন্ট ফি ৳০।
৫. ক্যালকুলেটর ব্যবহারের নিয়ম কী?▼
১. ক্রেডিটের পরিমাণ (৳৫০-৳১০,০০০) টাইপ বা স্লাইড করুন। ২. আপনার পছন্দসই পরিশোধের মেয়াদ (৭, ১৫ বা ৩০ দিন) সিলেক্ট করুন। ৩. বাংলাদেশ ব্যাংক নির্ধারিত সেবামূল্য (ফি), মোট পরিশোধযোগ্য পরিমাণ এবং পরিশোধের শেষ তারিখ তাৎক্ষণিক দেখুন।
৬. নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না করলে বিলম্ব ফি (Late Fee) কত হবে?▼
বিলম্বিত পরিশোধের ক্ষেত্রে ব্যাংকভেদে বিলম্ব ফি প্রযোজ্য হতে পারে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী মোট বিলম্ব ফি উক্ত স্ল্যাবের ৩০ দিনের মেয়াদের ফিক্সড সেবামূল্যের বেশি হতে পারবে না।
দায়বদ্ধতা স্বীকার: এই ওয়েবসাইটের সমস্ত হিসাব ও তথ্য শুধুমাত্র শিক্ষামূলক ও সহায়ক উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে। কোনো আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করুন।
অন্যান্য প্রয়োজনীয় আর্থিক টুলস
আবেদন ফরম খুঁজছেন?
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর থেকে সরাসরি অফিসিয়াল ক্রয় এবং নগদায়ন ফরম ডাউনলোড করুন।
অফিসিয়াল ফরম দেখুন →